মাঈন উদ্দিন দুলাল – নাঙ্গলকোট উপজেলার মৌকরা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের গোমকোট গ্রামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে শাহ আলমের বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এ ঘটনায় ঘরের আসবাবপত্রসহ প্রায়, ৫ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে গেছে বলে দাবি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১১ আগস্ট মঙ্গলবার দুপর ১ টায় শাহ আলমের ঘরে হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন পুরো ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলেও ঘর ও ভেতরে থাকা মালামাল রক্ষা করা সম্ভব হয়নি।
ক্ষতিগ্রস্ত শাহ আলমের পরিবারে স্ত্রী জুহুরা বেগম, এক ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছে। পরিবারের বাবা ও ছেলে কৃষিকাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। জানা গেছে, কিস্তিতে নির্মাণ করা হয়েছিল তাদের বসতঘরটি। আগুনে ঘরসহ পরিবারের প্রয়োজনীয় সবকিছু পুড়ে যাওয়ায় তারা এখন অনেকটা নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন।
পরিবারের দাবি, অগ্নিকাণ্ডে ঘর ও আসবাবপত্রসহ প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আগুন লাগার প্রায় ৪০ মিনিট পর লাকসাম ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, নাঙ্গলকোটে ফায়ার সার্ভিস স্টেশন না থাকায় অগ্নিকাণ্ডের মতো জরুরি পরিস্থিতিতে পাশের উপজেলা থেকে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি আসতে সময় লাগে। এতে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং অনেক সময় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বেড়ে যায়।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, নাঙ্গলকোটে দ্রুত একটি ফায়ার সার্ভিস স্টেশন স্থাপন করা হলে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষয়ক্ষতি কমানোর পাশাপাশি মানুষের জীবন ও সম্পদ রক্ষা করা সম্ভব হবে।
এদিকে, অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়াতে স্থানীয় প্রশাসন ও বিত্তবানদের সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছেন এলাকাবাসী।