নাঙ্গলকোটে দারগার বাড়ি-সহ কয়েক বাড়িতে চুরি, থানায় অভিযোগ 

প্রকাশিত: ৪:৪৭ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬

নাঙ্গলকোটে দারগার বাড়ি-সহ কয়েক বাড়িতে চুরি, থানায় অভিযোগ 
কেফায়েত উল্লাহ মিয়াজী :
“লোকে বলে দারোগার বাড়ি নাকি চুরি হয়েছে” এমন একটি বাংলা প্রবাদ থাকলেও এবার সত্যিকার অর্থেই ঘটেছে দারগা বাড়িতে চুরির ঘটনা। ঘটনাটি ঘটেছে কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের বাঙ্গড্ডা ইউনিয়নের রামেরবাগ গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ পরিদর্শক আবুল খায়েরের মালিকানাধীন দারগাবাড়িতে। সম্প্রতি কয়েক দফা চুরি ও ডাকাতির ঘটনা ঘটে ওই পুলিশ ইন্সপেক্টর এর বাড়িতে। চোর দল দারগাবাড়ি থেকে ২টি সেচ পাম্প, ১৬টি কবুতর, পুকুরের মাছ ও কয়েকটি গাছের ডাব ও নারিকেল চুরি করে নিয়ে যায়। এতে স্থানীয় শতাধিক কৃষকের ধানের জমি ক্ষতির মুখে পড়েছে। এছাড়া সম্প্রতি চোরদল পাশ্ববর্তী দৌলতপুর গ্রামে পুলিশ পরিদর্শক আবুল খায়েরের শ্যালক আমেরিকা প্রবাসী  মাস্টার ফারুকের বিল্ডিং এর ভাড়াটিয়া রোকেয়া বেগমের পরিবারের ৬টি মোবাইল ও টর্চ লাইট নিয়ে যায় এবং চেহরিয়া গ্রামের  সারোয়ার আলমের একটি সেচ পাম্প নিয়ে যায়। এদিকে দৌলতপুর গ্রামের পল্লী চিকিৎসক আব্দুল মতিনের ফার্মেসি থেকে ফ্রিজের কম্প্রেসার, ঔষধ, নেবুলাইজার মেশিন ও ওয়াইফাই রাউটার-সহ বিভিন্ন মালামাল চুরির ঘটনায় নাঙ্গলকোট থানায় লিখিত অভিযোগ করলেও পুলিশ কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি বলে দাবি ভুক্তভোগীর। দারগাবাড়িতে চুরির ঘটনায় সোমবার অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ পরিদর্শক আবুল খায়ের বাদী হয়ে নাঙ্গলকোট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পরে মঙ্গলবার বিকালে নাঙ্গলকোট থানা সহকারী উপ-পরিদর্শক অসিম রায় সঙ্গীয় ফোর্স ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
ভুক্তভোগী পুলিশ পরিদর্শক আবুল খায়ের, পল্লী চিকিৎসক আব্দুল মতিন ও রোকেয়া বেগম বলেন, রামেরবাগ ও দৌলতপুর গ্রামে মাদক কারবারি ও মাদক সেবীদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল। মাদকসেবিরা এ দুই গ্রামের কয়েকটি স্থানে আস্তানা গড়ে রাতভর মাদক ও জুয়ার আসর বসায়। এ মাদকসেবিরাই বিভিন্ন বাড়িঘরে চুরি ডাকাতি করে মানুষের সর্বস্ব লুট করে নিয়ে যায়। তাদের অনেকের পরিচয় জানলেও জানমালের ভয়ে কেউ মুখ খুলতে রাজি নয়। আমরা এ বিষয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
নাঙ্গলকোট থানা অফিসার ইনচার্জ আরিফুর রহমান বলেন, অভিযোগ পেয়েছি, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে, তদন্ত চলমান আছে।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

ফেইসবুকে আমরা

সর্বশেষ সংবাদ