মৌকারা দারুসসুন্নাত কামিল মাদরাসার শিক্ষকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন

প্রকাশিত: ১২:১৪ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৪

মৌকারা দারুসসুন্নাত কামিল মাদরাসার শিক্ষকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন

কেফায়েত উল্লাহ মিয়াজী :
কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের মৌকারা দারুসসুন্নাত কামিল মাদরাসার সিনিয়র শিক্ষক ও দ্বীনিয়া মাদরাসা অধ্যক্ষ মাওলানা আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টায় মাদরাসা অফিস কক্ষে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। একই দিন সকাল ১০টায় মাদরাসা প্রাঙ্গনে মানববন্ধন করে মাদরাসা শিক্ষার্থীরা।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন মৌকারা কামিল মাদরাসা অধ্যক্ষ মাওলানা রফিকুল ইসলাম, উপাধ্যক্ষ মাওলানা ইউসুফ মজুমদার, সিনিয়র শিক্ষক মাওলানা আনোয়ার হোসেন, দারুসসুন্নাত ওয়ালিয়া কমপ্লেক্স ট্রাস্টি বোর্ড সদস্য অজি উল্লাহ ভূঁইয়া, মহিলা মাদরাসা সুপার মাওলানা আব্দুল খালেক। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন মাদরাসা অনার্স দ্বিতীয় বর্ষ শিক্ষার্থী আবু বকর, আলিম দ্বিতীয় বর্ষ শিক্ষার্থী নজরুল ইসলাম নাহিদ।
মৌকারা মাদরাসা সিনিয়র শিক্ষক মাওলানা আনোয়ার হোসেন সংবাদ সম্মেলনে বলেন, প্রতিহিংসার কারণে কামিল মাদরাসার সাবেক ও বর্তমান ছাত্র পরিচয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় আমাকে জড়িয়ে মিথ্যা কাল্পনিক যে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে আমি তার তীব্র প্রতিবাদ করছি। তাদের মিথ্যা অভিযোগের চ্যালেঞ্জ করে উপজেলা প্রশাসনের কাছেও ইতোমধ্যে আবেদন করেছি। যদি তাদের কোন অভিযোগ থেকে থাকে তাহলে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আমার নিকট কৈফিয়ত চাওয়ার তাদের অধিকার আছে। কিন্তু তারা সে প্রক্রিয়ায় না গিয়ে হাটবাজারে কথা বলা এবং মানববন্ধন ও উপজেলায় স্মারকলিপি প্রদান এটি মূলত কোন বিষয়ের যৌক্তিক সমাধানের ইচ্ছা নয় বরং ব্যাক্তিগত ভাবে আমার ইমেজ ক্ষুন্ন করার চক্রান্ত। ছাত্র শিক্ষকদের উপর কোন ধরণের টর্চার, ক্ষমতার অনধিকারচর্চা অথবা কোন ধরণের দুর্নীতির সাথে আমার সংশ্লিষ্টতা নেই। আমি মৌকারা কামিল মাদ্রাসার দায়িত্ব যথাযথ পালন শেষে কমপ্লেক্সের অধিনে পরিচালিত দ্বীনিয়া মাদরাসা কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকি। মৌকারা দারুসসুন্নাত কামিল মাদরাসা, দ্বীনিয়া মাদরাসা ও মহিলা মাদরাসা ওয়ালিয়া কমপ্লেক্সের অধীনে পরিচালিত হয়ে আসছে। কমপ্লেক্স এর পরিচালনা পরিষদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক আমি সকল কর্মকান্ড পরিচালনা করে থাকি। আমি এসকল অপপ্রচারের নিন্দা জানাই ও এসব কল্পিত অভিযোগের যে কোন ধরনের শুনানীতে প্রস্তুত আছি।
এ ব্যাপারে নাঙ্গলকোট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুরাইয়া আক্তার লাকি বলেন, বিষয়টি আমি অবহিত হয়ে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাকে সরেজমিনে তদন্ত করার জন্য দায়িত্ব দিয়েছি।

ফেইসবুকে আমরা

সর্বশেষ সংবাদ