কেফায়েত উল্লাহ মিয়াজী :
কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের মক্রবপুর দক্ষিণ পাড়ায় জায়গা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে জোরপূর্বক গাছ কেটে নিয়ে যাওয়ার সময় মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করায় নিজ বসতঘরে প্রতিপক্ষের হামলায় নারী ও শিশু-সহ ৯জন আহত হয়েছে। বুধবার দুপুরে এ হামলার ঘটনা ঘটে। হামলার ঘটনায় অভিযুক্তরা হলেন মক্রবপুর গ্রামের দক্ষিণ পাড়ার শামসুল হক, কালু, ইব্রাহিম, ইউসুফ, আমীর, নুরুন্নবী, হাছান, সাইফুল ইসলাম রাজন ও জাফর-সহ ১৫ জন। হামলায় আহতরা হলেন মক্রবপুর দক্ষিণ পাড়ার নিজাম উদ্দিন, তার স্ত্রী খোরশেদা বেগম, ছেলে হাছান আহম্মেদ মুন্না, মুন্নার স্ত্রী নারগিস বেগম, তার শিশু কন্যা হাফসা আক্তার, নিজাম উদ্দিনের কন্যা মুন্নী বেগম, তার শিশু পুত্র মোরসালিন, মোহাম্মদ সফিকের স্ত্রী কুলছুম বেগম, তার পুত্র মোহাম্মদ তারেক। আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে নাঙ্গলকোট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। আহতদের মধ্যে খোরশেদা বেগমের অবস্থা আশংকাজনক বলে জানা গেছে।
হামলার সময় ভুক্তভোগীরা জাতীয় জরুরী সেবা ৯৯৯ নাম্বারে ফোন দিলে নাঙ্গলকোট থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান ভুক্তভোগীরা।
হামলায় আহত নিজাম উদ্দিন ও তার ভাই সফিক বলেন, আমাদের সাথে তাদের এ জমিটি নিয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ বিরোধ চলে আসছে। এ বিষয়ে সামাজিক ভাবে, থানায় ও আদালতে যতবারই বসেছে তারা কোন কাগজপত্র দেখাতে না পারায় জমিটি আমাদের বলে প্রমাণ হয়। বুধবার দুপুরে তারা ওই জায়গা থেকে জোরপূর্বক গাছ কেটে নিয়ে যাওয়ার সময় আমাদের পরিবারের মহিলারা মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করায় তারা ১৪-১৫ জন মিলে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আমাদের ঘরে হামলা চালিয়ে ৯জনকে গুরুতর আহত করে। আমরা এ ঘটনায় সঠিক তদন্ত করে বিচারের দাবি জানাই।
ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্তদের কাউকে না পাওয়ায় তাদের বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
নাঙ্গলকোট থানা অফিসার ইনচার্জ আরিফুর রহমান বলেন, ৯৯৯ নাম্বার থেকে অভিযোগ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। লিখিত অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।