নাঙ্গলকোটে মাদ্রাসার রাস্তা কেটে ফেলার অভিযোগ

প্রকাশিত: ১:০৩ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ৯, ২০২০

নাঙ্গলকোটে মাদ্রাসার রাস্তা কেটে ফেলার অভিযোগ

মাঈন উদ্দিন দুলাল- নাঙ্গলকোট উপজেলার চারিজানিয়া জামেয়াই ছালেহিয়া দ্বীনিয়া দাখিল মাদ্রাসার ও ৫০ পরিবারের চলাচলের সরকারী সলিং রাস্তা বুধবার ভোরে ভ্যেকু মেশিন দিয়ে কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে একই গ্রামের এয়াকুব আলী মজুমদারের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে অবহিত করেন মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ। পরে নাঙ্গলকোট থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
স্থানীয় ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ১৯৯০ সালে চারিজানিয়া গ্রামের আব্দুল বারীক মজুমদার, সোলাইমান মজুমদার, শফিকুর রহমান মজুমদার মাদ্রাসার রাস্তার জায়গাটি নিজেদের দাবী করে কেটে ফেলে। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটি। অভিযোগের প্রেক্ষিতে তৎকালীন ইউপি চেয়ারম্যান রুহুল আমিন মোল্লা রাস্তাটি পরিমাপ করে পুন:রায় মাটি ভরাট করে চলাচলের উপযোগী করে দেন। এবং ওই সময় অভিযুক্তরা ভবিষ্যতে রাস্তায় কোন রকম প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবেননা বলে অঙ্গিকার করেন। কিন্তু হাজী আব্দুল বারীক মজুমদারের ছেলে এয়াকুব মজুমদার বুধবার ভোরে ভ্যেকু মেশিন দিয়ে রাস্তাটির কিছু অংশ কেটে ফেলে দেয়। রাস্তাটি বন্ধ করে দেয়া হলে মাদ্রাসার শতশত শিক্ষার্থী ও ৫০ পরিবারের চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হবে।
এ ব্যাপারে এয়াকুব আলী মজুমদার বলেন, আমাদের জমিন তারা জোর পূর্বক দীঘদিন যাবৎ দখল করে রেখেছে। এ বিষয়ে স্থানীয় ভাবে অনেক বার শালিস বৈঠক বসা হয়েছে। আমাকে যখন যা সিদ্ধান্ত দেয়া হয়েছে আমি তা মেনে নিয়েছি। কিন্তু মৃত মুফতি মুস্তফা হামীদী সাহেবের ছেলে সামছুদ্দীন হামীদী অমান্য করায় শলিসী রায় বাস্তবায়ন হয়নি। আজকে আমি আমার জমি দখল মুক্ত করতে গেলে তারা আমার উপর হামলা করে গুরুতর আহত করে। আমি এখন চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি আছি।
নাঙ্গলকোট নির্বাহী অফিসার লামইয়া সাইফুল বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপজেলা ভূমি কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

 

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

ফেইসবুকে আমরা

সর্বশেষ সংবাদ