দৌলখাঁড় ইউনিয়নে অবৈধ ভাবে খতিয়ান করে জমি দখল চেষ্টা, সংশোধন মামলা করায় ৩০ মামলা দিয়ে হয়রানি

প্রকাশিত: ৭:৪৭ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ৩০, ২০২১

দৌলখাঁড় ইউনিয়নে অবৈধ ভাবে খতিয়ান করে জমি দখল চেষ্টা, সংশোধন মামলা করায় ৩০ মামলা দিয়ে হয়রানি

মাঈন উদ্দিন দুলাল- নাঙ্গলকোটের দৌলখাঁড় ইউনিয়নের অশ্বদিয়া গ্রামের মৃত আমান উদ্দিনের ওয়ারিশদের বিরুদ্ধে হয়রানি মূলক ৩০টি মিথ্যা মামলা, হামলা ও তাদের বাড়ী ঘর ভাংচুর করে এলাকা ছাড়া করে তাদের বাড়ী, পুকুর ও ফসলি জমি দখল ও নিজেদের নামে জালিয়াতীর মাধ্যমে বিএস খতিয়ান করার অভিযোগ উঠেছে একই গ্রামের সেকান্দার আলীর ছেলে নুরুন নবী, এয়াকুব, মোস্তফা, লাল মিয়ার ছেলে আবুল হোসেন, আবুল বশর, আবুল কালাম ও তাদের লোকজনের বিরুদ্ধে। এ ব্যাপারে আমান উদ্দিনের নাতী আব্দুুস সাত্তার বাদী হয়ে কুমিল্লার আদালতে বিএস খতিয়ান সংশোধনের জন্য মামলা দায়ের করে। গত সোমবার বিকেলে বিএস খতিয়ান সংশোধন মামলার সম্পত্তির দখল সরেজমিনে তদন্ত করেন নাঙ্গলকোট থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক আতিকুল ইসলাম। আমান উদ্দিনের ওয়ারিশদের বিরুদ্ধে করা ৩০ মামলায় দিশাহারা পরিবার গুলো।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার দৌলখাঁড় ইউনিয়নের অশ্বদিয়া গ্রামের মজুমদার বাড়ীর মৃত তিতা গাজীর ছেলে আমান উদ্দিন মজুমদারের ৪৭১৮ নং কবলিয়ত মূলে ও তাহার পুত্র বন্দে আলী এবং রৌশন আলীর ৪১২৭, ৩০৯৬ দলিল মূলে জমির মালিক হয়ে তাহাদের নামে ১১৮-১৪৮ নং সিএস এবং আরএস খতিয়ানে প্রায় সাড়ে ১৬ একর সম্পত্তি রেকর্ড হয়। সিএস খতিয়ানের সময় তিতা গাজীর অপর ছেলে কাজীম উদ্দীন ও তার ছেলে আকুব আলীর নামে পূর্বের কোন মালিকানা না থাকা সত্ত্বেও ৫ একর সম্পত্তি খতিয়ন ভূক্ত করে নেয়। পরে এ ব্যাপারে আমান উদ্দীন, বন্দে আলী ও রৌশন আলীর ওয়ারিশরা আদালতে মামলা করলে ৬৪৮৪ নং মামলার রায়ে কাজীম উদ্দিন, লাল মিয়া ও সেকান্দার আলীর ওয়ারীশগণ উচ্ছেদ হয়ে যায়। বন্দে আলীর নাতী আব্দুস সাত্তারের ৪৫৯৯ নং মামলার রায়ে আদালত আমান উদ্দিন, বন্দে আলী ও রৌশন আলীর ওয়ারিশদের নামে রেকর্ড পরিবর্তনের রায় প্রদান করেন। রায় না পেয়ে কাজীম উদ্দিনের ওয়ারিশরা আমান উদ্দিন, বন্দে আলী ও রৌশন আলীর ওয়ারিশ আব্দুস সাত্তার, সোলেমান, আব্দুল মান্নান, জয়নাল আবেদীন, শাহপরান’সহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে অসংখ্য মিথ্যা মামলা দিয়ে এলাকা ছাড়া করে। জমির মালিকরা এলাকায় না থাকার সুযোগে নিজেদের নামে বিএস খতিয়ান করে নেয় তারা। ওই বিএস রেকর্ড সংশোধনের জন্য আমান উদ্দিনের নাতি আব্দুস সাত্তার কুমিল্লার আদালতে মামলা দায়ের করে। জালিয়াতির প্রতিবাদ ও বিএস সংশোধন মামলা করায় আমান উদ্দিনের ওয়ারিশদের বিরুদ্ধে ৩০টি মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করে আসছে বলে জানান আবদুস সাত্তার। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন ভূক্তভোগীরা।

 

 

Please follow and like us:

ফেইসবুকে আমরা

সর্বশেষ সংবাদ